আন্তর্জাতিক বা দেশীয় উভয় প্রকার যাত্রীকে বিদেশে বা দেশের অভ্যন্তরে যাতায়াত করার জন্য যে কোনও বাংলাদেশীয় বিমানবন্দর ব্যবহার করার জন্য অতিরিক্ত চার্জ দিতে হবে। সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ (সিএএবি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, বিমান ভাড়া ছাড়াও যাত্রীদের সুরক্ষা ও বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি প্রদান করতে হবে। এর আগে এই বিজ্ঞপ্তিটি ২২ জুলাই ২০২০ তারিখে প্রচারিত হয়েছিল। নতুন এই ফি দুটি কার্যকর হচ্ছে অাজ ১৬ আগস্ট, ২০২০ তারিখ হতে।

সিএএবির পরিচালক (অর্থ) জনাব মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে সার্কভুক্ত দেশসমূহে ভ্রমণকারী আন্তর্জাতিক যাত্রী অর্থাৎ ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ভ্রমণকারী প্রত্যেক যাত্রীকে ৫ (পাঁচ) মার্কিন ডলার দিতে হবে বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি হিসাবে  এবং যাত্রী সুরক্ষা ফি হিসাবে ((ছয়) মার্কিন ডলার দিতে হবে বিমানভাড়ার সাথে অতিরিক্ত হিসাবে।  সার্কভূক্ত দেশগুলি ব্যতীত অন্যান্য দেশগুলিতে ভ্রমণকারী যাত্রীদের যাত্রী সুরক্ষার জন্য ১০ ডলার অতিরিক্ত এবং বিমানবন্দর উন্নয়নের জন্য ১০ ডলার অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে। COVID-19 মহামারীজনিত পরিস্থিতির কারণে যাত্রীদের সুরক্ষা এবং বিমানবন্দর উন্নয়নের সুবিধার্থে এই ফি গুলি যুক্ত করা হয়েছিল।

দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর ব্যবহারের জন্য বিমানবন্দর উন্নয়ন ফি ১০০ টাকা এবং যাত্রী সুরক্ষা ফি ৭০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন যুক্ত ফিগুলি অবশ্যই সমস্ত রুটে এবং সমস্ত যাত্রীদের জন্য বিমান ভাড়া বাড়িয়ে তুলবে।

তবে, ফ্লাইট পরিচালনাকারী বিমান সংস্থাগুলি চিকেট বুকিং দেওয়ার সময় বা বিমানের টিকিট কেনার সময় যাত্রীদের কাছ থেকে এই অতিরিক্ত ফি কেটে নেবে।